Showing posts with label টেক ওয়ার্ল্ড. Show all posts
Showing posts with label টেক ওয়ার্ল্ড. Show all posts

Thursday, July 20, 2017

প্রতিদিন ফেসবুক ব্যবহারকারী ১৩০ কোটি





ঢাকা: চলতি বছরে প্রথম তিন মাসের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিদিন ফেসবুকের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩০ কোটি। আর প্রতিমাসে ১৯৪ লাখ লোক এতে লগইন করেন। আর এ বছরের মাঝামাঝি সময় ২০০ কোটি পার হবে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা।

বিবিসি জানায়, বছরের প্রথম প্রান্তিকে ৩০০ কোটি ডলার আয় হয়েছে, যা বেড়ে ৭৬ শতাংশে পৌঁছেছে।

যদিও শঙ্কা ছিল এর আয় ও বিজ্ঞাপনের পরিমাণ আগের থেকে কমবে।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন এ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলছেন হাজারো মানুষ। এর মাধ্যমে বন্ধু, পরিবার ও নিজ পেশাগত বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে সৌজন্যতা রক্ষা করছেন তারা। ব্যবসা থেকে বিনোদন, ধর্ম থেকে স্বাস্থ্য। প্রায় সব ক্ষেত্রেই মানুষের জীবনের সঙ্গে মিশে গেছে ফেসবুক।

এ নিয়ে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ জানিয়েছেন, এ বিশাল কমিউনিটি নিয়ে আরো অনেক কিছু করার আছে।

সম্প্রতি কয়েকটি সহিংস ঘটনার ওপর ভিত্তি করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আরো কঠোর হচ্ছে।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩ হাজারের বেশি লোক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে লাইভের মাধ্যমে সহিংসতা রোধ করার জন্য।

কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশ্বজুড়ে ৪ হাজার ৫০০ জনের কমিউনিটি অপারেশন টিম আছে তাদের। শুধু তাই নয় একটি নতুন টুলস তৈরি করা হচ্ছে যার মাধ্যমে সহিংস ভিডিওগুলো এর ব্যবহারকারীরাই মুছে দিতে পারবে।

রোবটও পেল স্পর্শ অনূভুতি



প্রযুক্তির দিন দিন উন্নতি ঘটে চলেছে।আই.বি.এম তো ঘোষণা দিয়েছে পাঁচ বছরের মধ্যেই আমরা মোবাইল বা কম্পিউটার স্ক্রিন এর মাধ্যমে দূরের জিনিস ধরতে পারব।এই ভবিষ্যত বাণীটা ঠিক হওয়ার দিকে আমরা একধাপ কিন্তু এগিয়ে গেছি।বিজ্ঞানীরা যন্ত্রের মধ্যে বিভিন্ন বস্তুর স্পর্শ অনূভুতি জাগাতে সক্ষম হয়েছেন। এখানে যন্ত্রটি হল এক ধরনের মানুষের মত রোবট।ইউনিভার্সিটি অফ সাউর্দান ক্যালিফোর্নিয়া ভাইটারভি স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিজ্ঞানীরা এমনই একটি রোবর্ট তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন এবং এ সম্বন্ধে একটি লেখা প্রকাশ করেছেন।তারা এই রোবটটির হাতে এক ধরনের বিশেষ সেন্সর ব্যবহার করেছেন।এই সেন্সর এর গঠন অনেকটা মানুষের আঙুলের মত।এর উপরে বিশেষ ভাবে গঠিত চামড়া থাকে এবং তাতে তরল পদার্থের একটি স্তর ও থাকে। চামড়াতে একধরনের বিশেষ খাঁজ কাটা অংশ থাকে,অনেকটা আঙুলের রেখার মত।রোবটিক আঙুলটি যখন কোন বস্তুর উপর দিয়ে নেয়া হয়,তখন চাপের তফাত,উঁচু নিচু ইত্যাদির কারনে সেন্সরটি ভায়ব্রেশন উৎপন্ন করে।এই ভায়ব্রেশন আঙুলের মাঝখানে থাকা হাড়ের মত হাইড্রোফোনের কাছে পাঠানো হয়।সেখান থেকে ভায়ব্রেশন নিয়ে,রোবটটির কম্পিউটার তা পূর্বে অভিজ্ঞতা থেকে সঞ্চিত রাখা ভায়ব্রেশন এর সাথে তুলনা করে বস্তুটি চিহ্নিত করে।এখন এ আবিস্কারটি করার জন্য বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটি হয়েছে তা হল একটি নতুন এলগরিদম আবিস্কার করা।মানুষ কোন বস্তু স্পর্শের সাহায্যে চেনার জন্য কিছু বিশেষ উপায় অবলম্বন করে।এ উপায়গুলো মানুষ তার পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে শিখে।এত দিন রোবটকে এসব উপায় শিখানোর কোন উপায় ছিলনা।তবে অবশেষে বিজ্ঞানীরা বিশেষ এলগরিদম আবিষ্কার করেছেন যার সাহায্যে রোবট এসব উপায় ব্যবহার করবে।বিজ্ঞানিরা তাদের উদ্ভাবিত রোবটকে মোট ১১৭টি বস্তু সম্বন্ধে জ্ঞান দিয়ে পরিক্ষা করেছেন।তাদের রোবটটি মোটামুটি ৯৫.৫% সময় ঠিকভাবে বস্তুগুলো আলাদা করতে পেরেছে,যখনই তাকে একসাথে কয়েকটি বস্তু দেয়া হয়েছিল।মজার বেপার হল রোবটটি এমন কিছু ক্ষেত্রে ধোঁকা খেয়েছে,যেগুলোও বস্তুগুলো খুবই কাছাকাছি।এত কাছাকাছি ধরনের বস্তু মানুষও সাধারনত স্পর্শের সাহায্যা আলাদা করতে পারেনা।অর্থাৎ এদের স্পর্শ অনূভুতি আমাদের চেয়েও ভাল।

উৎস ঃ এখানে ক্লিক করুন ...

Monday, July 10, 2017

হাঁটলেই তৈরি হবে বিদ্যুৎ!



মানুষের হাঁটা থেকেই বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদিত হবে। আর তা দিয়েই চালানো যাবে ট্রান্সমিটার; যা মানুষের অবস্থান নির্ণয় করতে পারবে। জুতা আকৃতির এমনই এক যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন জার্মানির একদল গবেষক।  জার্মানির ভিল্লিজেন-শোয়েন্নিজেন নামক অঞ্চলে অবস্থিত একটি গবেষণাগারে এই বিশেষ জুতা তৈরি করা হয়েছে।


 ‘স্মার্ট ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড স্ট্রাকচার্স’ নামক সাময়িকীতে এই গবেষণার বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ প্রযুক্তির এই যন্ত্রটিতে রয়েছে একটি শক হারভেস্টার ও একটি সুইং হারভেস্টার। যখন জুতাটির হিল মাটি স্পর্শ করে তখন শক হারভেস্টার শক্তি উত্পাদন করে। আবার যখন হাঁটতে গিয়ে গোড়ালি বেঁকে যায়, তখন শক্তি উত্পাদন করে সুইং হারভেস্টার। এভাবে তৈরি শক্তি দিয়েই চলে জুতায় থাকা ট্রান্সমিটার ও সেন্সর। আর এই ট্রান্সমিটার থেকে পাঠানো সংকেত থেকেই জুতা পরিধানকারী ব্যক্তির অবস্থান নির্ণয় করা হয়।


গবেষক দলের সদস্য ক্লেভিস ইল্লি বলেন, ‘আমরা মূলত শক্তি উত্পাদনকারী একটি ছোট যন্ত্র তৈরি করতে চেয়েছিলাম। এ থেকে উত্পাদিত শক্তি দিয়ে একটি তারহীন ট্রান্সমিটার ও সেন্সর চালানোই ছিল আমাদের লক্ষ্য। এই যন্ত্রটির মাধ্যমে যে কেউ কোনদিকে কতটুকু হেঁটেছে তার হিসেব রাখতে পারবে।


তিনি আরও জানান, জুতাটি সর্বোচ্চ তিন থেকে চার মিলিওয়াট শক্তি তৈরি করতে পারবে


Sunday, July 2, 2017

নিরাপদ থাকতে ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এই ৪টি তথ্য ডিলিট করুন



আপনার ফেসবুক প্রোফাইল খুলুন, আর ডিলিট করে দিন চারটি বিশেষ তথ্য। না হলে সমূহ বিপদের সম্ভাবনা। যতোই প্রাইভেসি ফিল্টার ব্যবহার কাজে লাগাক ফেসবুক, আজও হ্যাকারদের পরাস্ত করা অত সহজ নয়।


 প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করা আপনার বিশেষ কয়েকটি তথ্যকেই তারা আপনার বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।


এই সমস্ত তথ্য কাজে লাগিয়ে তারা শুধু যে আপনার প্রোফাইল হ্যাক করতে পারে তা-ই নয়, আপনার আইডেন্টিটি জাল করে তারা গড়ে তুলতে পারে আপনার ডুপ্লিকেট আইডেন্টিটিও।


সুরক্ষিত থাকার জন্য অবিলম্বে ডিলিট করুন এই চারটি তথ্য—


১. জন্মদিন: আপনার জন্মদিন ফেসবুকে উল্লেখ করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। ভেবে দেখুন, প্যান কার্ড হোক বা ভোটার আই কার্ড  হোক- সর্বত্রই আপনার বয়স অথবা জন্মদিনের উল্লেখ থাকে।

কাজেই আপনার ডুপ্লিকেট আইডেন্টিটি তৈরি করতে হলে আপনার জন্মদিন অপরিহার্য তথ্য।


২. নিজের চেক ইন: কখন কোথায় যাচ্ছেন, কোন রেস্তরাঁয় খাচ্ছেন কিংবা কোন সিনেমা হলে সিনেমা দেখছেন— তা ফেসবুকে জানাবেন না। আপনার পরিচিতি জাল করতে চায় যারা, তারা কিন্তু এই তথ্যগুলোই কাজে লাগাবে।


৩. নিজের ঠিকানা: নিজের বাসস্থানের ঠিকানা কখনই জানাবেন ফেসবুকে। এতে শুধু যে নিজের আইডেন্টিটি ডুপ্লিকেসির সম্ভাবনা বাড়বে তা নয়, কেউ চাইলে সরাসরি আপনার বাসস্থানে হামলাও চালাতে পারে।


৪. আপনার কর্মক্ষেত্র: আপনার অফিসের ঠিকানা শেয়ার করাও একই রকম বিপজ্জনক। দিনের একটা বড় অংশ সেই ঠিকানাতেই আপনি কাটাচ্ছেন। কত ক্ষণ আপনি সেখানে থাকছেন, আপনার অফিস থেকে বাড়িতে যেতেই বা কতটা সময় লাগে— ইত্যাদি তথ্য আপনার প্রোফাইল হ্যাকিং-এর সম্ভাবনা বাড়ায়। কাজেই এই তথ্যও গোপন রাখাই ভালো ।


Saturday, July 1, 2017

Department 2.0; একটি আইডিয়া ও তার সম্ভাবনার গল্প


না, এখানে কোন গুরুগম্ভীর আলোচনা নেই, নেই কোন শেখার সুযোগ। আমার এই ছোট্ট লেখাটার মূল উদ্দেশ্য আসলে একটা আইডিয়া শেয়ার করা। কিভাবে আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে আরেকটু সহজ করে তুলতে পারি তারই একটা ছোটখাটো পরিকল্পনা এখানে শেয়ার করা হয়েছে। আমি বরাবরই প্রযুক্তিপ্রেমী। আমি সবসময়ই চেয়েছি আমাদের জীবনকে সহজতর করার জন্য কিছু বানানো যায় কিনা যেটা অবশ্যই কাজে লাগবে। টাইটেলে লেখা “Department 2.0” আসলে একটা স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশন প্রজেক্ট বা সহজ ভাষায় অ্যাপ। এমন একটা অ্যাপ যেটা শুধু আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকেই ডিজিটালাইজড করবে না বরং গতিশীলও করবে অনেকটাই। না এটা আমি এখনো আমি তৈরি করিনি , হয়ত সুদূর ভবিষ্যতে তৈরি করে ফেলব। তবে আমার এখানে লেখার মূল উদ্দেশ্য আসলে এই ধরণের অ্যাপের আইডিয়াটা যাতে অন্যরাও কাজে লাগায় এবং প্রযুক্তির ভালো দিকটার যথোপযুক্ত ব্যবহার করা সম্ভব হয়।

আইডিয়াটা সিম্পল, আমরা একটা স্মার্টফোন এপ্লিকেশন বা অ্যাপ বানাবার চিন্তা করছি যেটাতে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা নির্দিষ্ট ডিপার্টমেন্টের একজন ছাত্রের যা কিছু লাগে তার প্রায় সবকিছুই থাকবে। তবে শুধুমাত্র ছাত্রই নয় এতে শিক্ষকদের জন্যও কিছু বিশেষ সুবিধা দেয়া যেতে পারে।

প্রথমেই বলা যেতে পারে সিলেবাসের কথা। সিলেবাস জিনিসটা কখন কোথায় লাগে বলাটা কঠিন। আবার দেখা যায় সিলেবাস উল্টোতে উল্টোতে জিনিসটা একেবারে নষ্টও হয়ে পড়ে। এজন্য আমরা অ্যাপের মধ্যে পুরো চার বছরের অনার্স ও মাস্টার্সের সিলেবাস দেয়া থাকবে। প্রত্যেক সেমিস্টার বা ইয়ারের জন্য আলাদা সেগমেন্ট থাকবে। যে যে সেমিস্টারের বা ইয়ারের ছাত্র সে সেই সেমিস্টার বা ইয়ারে ক্লিক করে নিজের কোর্সগুলো দেখতে পাবে। কোর্সগুলোও এমনভাবে থাকবে যাতে স্ক্রল যতটা সম্ভব কম করতে হয়। বুটস্ট্র্যাপ কলাপ্স বা জাম্প(কোডিংয়ের সময়) এই ধরনের ফাংশনগুলো আমরা ব্যবহার করতে পারি। প্রত্যেক কোর্সের জন্য প্রয়োজনীয় বইয়ের নামগুলো ও তাদের পিডিএফ লিংক জুড়ে দেয়া হবে।

যাদের ল্যাব বা প্র্যাকটিকাল আছে তাদের ক্ষেত্রে অ্যাপে প্রত্যেক এক্সপেরিমেন্টের নাম এবং এটা কিভাবে করতে হবে সেই সংক্রান্ত ডকুমেন্টের লিংক যুক্ত করা একটা সেগমেন্ট থাকবে। সম্ভব হলে ইউটিউবের ভিডিও Embed করা যেতে পারে যাতে শিক্ষার্থীরা ডাটা কানেকশন অন করেই ভিডিও যেকোন সময় দেখে নিতে পারে।

শিক্ষকদের ফোন নম্বর ও মেইলিং এড্রেস নিয়ে একটা অপশন রাখা যেতে পারে। যাতে কনট্যাক্ট নম্বরের পাশাপাশি ওই শিক্ষকের গবেষণা ক্ষেত্র ও সম্ভব হলে তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রগুলোর লিংকও যুক্ত করা যেতেই পারে। এতে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষকদের ফোন নাম্বার আলাদাভাবে স্মার্টফোনে সেভ করার কষ্ট কমবে।



Department 2.0: features




পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ডিপার্টমেন্টের যে কোনো নোটিশ তাৎক্ষণিকভাবে সকল ছাত্রছাত্রীদের (যারা অ্যাপটি ইনস্টল করেছে) পৌঁছে দেবার ব্যবস্থা থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় নোটিশও একইভাবে পৌঁছানো সম্ভব। এটা শিক্ষকদের জন্যও অনেক কাজে দিতে পারে যদি আমরা এখানে শিক্ষকদের জন্য আলাদা একটা অপশন রাখি যেটাতে তারা যেকোন তথ্য ছাত্রদের কাছে দ্রুত পৌঁছে দিতে পারবেন পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে। আবার ধরুন কোন শিক্ষক ক্লাস নেবেন না, কিংবা ছুটিতে গেছেন, আজ আসবেন না, সেই কথাও অ্যাপে ঢুকে টিচার্স অপশনে গিয়ে একটা পোস্ট করলেই সব ছাত্রছাত্রীর কাছে পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে পৌঁছে যাবে।

মোটামুটি বলা যায় একটা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনেক কিছুই একটা স্মার্টফোন অ্যাপ  দিয়েই  করে ফেলা যাবে। এজন্যই আমি এটার নাম দিয়েছি “Department 2.0” । এই ধরনের অ্যাপ বানানো খুবই সম্ভব। আমি নিজেও এর কাছাকাছি একটা অ্যাপ বানিয়েছিলাম। তখন থেকেই ভেবেছি কিভাবে আরো উন্নতিসাধন করা যায়। আমি আশা করব এই ধরনের অ্যাপ আমাদের দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা তৈরির চেষ্টা করবে। এটা হয়তো আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে না, তবে এর আরো উন্নয়ন সাধনের রাস্তা তো এর ব্যবহারকারীদের হাতেই থাকবে। কে জানে তারা হয়তো আরো ভালো আইডিয়া বের করে ফেলবে যেটা হয়তো আরো ফলপ্রসূ হবে।

 

উৎস ঃ এখানে ক্লিক করুন ..

ফেসবুক কর্মীদের বেতন তালিকা



ফেসবুকে চাকরির করার স্বপ্ন হয়ত অনেকই দেখেন। সিলিকন ভ্যালির হার্ট অফ সিটিতে বসে ফেসবুক অফিসে কাজ করছেন। বিশ্বের একনম্বর জনপ্রিয় কোম্পানির জব স্টাইল যে অন্য পাঁচটা কোম্পানির মতো নয় একথা বলাবাহুল্য। কিন্তু আমাদের জানতে ইচ্ছে তো করে যারা ফেসবুকে চাকরি করে মাসের শেষে কত মাইনে পায়।


জব পোর্টাল গ্ল্যাসডোর প্রকাশ করে ফেসবুকের বিভিন্ন পদের বেতন তালিকা। তাদের বেতন তালিকা দেখে সাধারণ চাকরিজীবীদের চক্ষু ছানাবড়া হতে পারে। কিন্তু ফেসবুক কর্তা মার্ক জুকারবার্গের বছরে বেতন মাত্র ১ ডলার। যদিও ফেসবুকে তাঁর ব্যক্তিগত শেয়ার রয়েছে ২৮ শতাংশ (২০১২ সর্বশেষ খবর অনুযায়ী)।


নীচে ফেসবুকের সর্বোচ্চ ১৫ টি পদের বেতন তালিকা দেওয়া হল। বেসিক বেতন ও বোনাস নিয়ে বছরে তাদের ইনকাম–

১. Engineering Manager: ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা (£252k)

২. Software Engineer V: ১ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা (£171k)

৩. Senior Software Engineer:১ কোটি ২৯ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা (£140k)

৪. Software Engineer IV:১ কোটা ২৮ লক্ষ ৯১ হাজার টাকা (£139k)

৫. Product Manager:১ কোটি ১৯ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা (£129k)

৬. Data Scientist:১ কোটি ১৪ লক্ষ ২ হাজার টাকা (£123k)

৭. Software Engineer: ১ কোটি ১২ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা (£121k)

৮. Technical Program Manager:১ কোটি ৭ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা (£116k)

৯. Research Scientist: ১ কোটি ৬ লক্ষ ২ হাজার টাকা (£114k)

১০. Software Engineer III: ১ কোটি ৫ লক্ষ ২ হাজার টাকা (£113k)

১১. Network Engineer: ৯৮ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা (£106k)

১২. Data Engineer: ৯০ লক্ষ ২১ হাজার টাকা (£97k)

১৩. User Interface Engineer: ৯০ লক্ষ ৬ হাজার টাকা (£97k)

১৪. Production Engineer: ৮১ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা (£87k)

১৫. Product Analyst: ৭২ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা (£78k)

আইপ্যাডে সেক্স!!



আপনার আইপ্যাডই এখন হতে আপনার সেক্স পার্টনার। আইপ্যাডের দৌলতে বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে উপভোগ করতে পারবেন সেক্সের মজা। স্কাইপি হোক বা জিমেলে সেক্স চ্যাটে আর মন ভরাতে হবে না।


কথা বলতে বলতেই পাবেন রতিসুখ। আজগুবি মনে হচ্ছে? মোটেও না। সময় যে অনেকটা এগিয়েছে। প্রেমিকার সঙ্গে এখন রোজ দেখা হয় কোথায়? আপনিও ব্যস্ত, সেও। তাই সেক্স থেকে আপনারা দুজনেই বঞ্চিত।


সেই খামিত পূরণ করতে এবার উদ্যোগ নিল এক বিখ্যাত সেক্স-টয় প্রস্তুতকারী সংস্থা। ‘ফ্লেশলাইট লঞ্চপ্যাড’ খুব শিগগিরই এসে পড়বে মার্কিন নাজারে। যে কোনও আইপ্যাডের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যাবে এই ফ্লেশলাইট লঞ্চপ্যাড।


এটা আসলে যোনির আকৃতির এক অংশ। রবার টিউব জাতীয় উপাদানের তৈরি। কোনও দুষ্টু ছবি দেখতে দেখতে এই টিউবই আপনাকে দেবে রতির সুখ। নির্মাতাদের দাবি, সঙ্গিনীর সঙ্গে কথা বলার সময় বা চ্যাট করার সময় এই কৃত্রিম যোনিই আপনাকে দেবে স্বর্গসুখ।


আইপ্যাডের পর্দায় ভেসে ওঠা প্রেমিকার ছবি দেখতে দেখতে তাঁর সঙ্গে যৌন মিলনের সুখও পাওয়া যাবে বলেই দাবি সংস্থার। সংস্থার তরফে একে বলা হচ্ছে ‘ফ্লেশলাইট এক্সপেরিয়েন্স’। শুধু সেক্সে পটুরাই নয়, যারা একেবারেই আনকোরা, তাদেরও পরিপক্ক হতে সাহায্য করবে ফ্লেশলাইট লঞ্চপ্যাড।


সংস্থার তরফে দাবি, মাস্টারবেট করার সহজ উপায় হল লঞ্চপ্যাড ব্যবহার করা। ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এর দামও রাখা হয়েছে সাধ্যের মধ্যেই।


Monday, June 12, 2017

এবার রোবট পুলিশ নামছে দুবাইয়ের রাস্তায়


দুবাই পুলিশ বিভাগে প্রথম একটি রোবট পুলিশ নিয়োগ দেয়া হয়েছে, শহরের শপিং মল এবং পর্যটন এলাকাগুলোতে টহল দেবে এই রোবট।

এর মাধ্যমে মানুষ কোন অপরাধের তথ্য দিতে পারবে, জরিমানা প্রদান করতে পারবে এবং এর বুকে থাকা টাচস্ক্রিন ব্যবহার করে বিভিন্ন তথ্য নিতে পারবে।

রোবটের মাধ্যমে সংগৃহীত এই তথ্য পরিবহণ এবং ট্রাফিক পুলিশকেও দেয়া হবে।

দুবাইয়ের সরকার বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে পুলিশ বাহিনীর ৩০ শতাংশ রোবটিক করার লক্ষ্য আছে তাদের, তবে সেটা মানুষকে প্রতিস্থাপন করবে না।

"এই যন্ত্রের মাধ্যমে আমরা আমাদের অফিসারদের প্রতিস্থাপন করবো না" বলেন দুবাই পুলিশের স্মার্ট সার্ভিসের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার খালিদ আল রাজুকি।

"তবে যেহেতু দুবাইতে মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, আমরা চাই পুলিশ অফিসাররা যাতে একটি নিরাপদ শহর গঠনের জন্য মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে পারে"।

তিনি বলেন, এই উপায় ব্যবহার করে তারা সর্বক্ষণ মানুষকে সেবা দিতে পারবেন। একইসাথে কমান্ড এবং কন্ট্রোল সেন্টারের সাথে সারাক্ষণ সংযুক্ত থাকার মাধ্যমে অপরাধ দমনেও এসব রোবট সহায়তা করতে পারবে।

পাল রোবটিক্সের তৈরি এই বিশেষ রোবট এসপ্তাহেই গালফ তথ্য এবং নিরাপত্তা মেলায় উপস্থাপন করা হয়।

বর্তামানে এটি শুধুমাত্র ইংরেজি এবং আরবিতে যোগাযোগ করতে পারে, তবে এতে রুশ, চাইনিজ, ফরাসী এবং স্প্যানিশ ভাষাও সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আগামী বছর আরো একটি রোবট দুবাই পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে। তবে তা নির্ভর করবে অর্থায়নের ওপর।

 

উৎস ঃ এখানে ক্লিক করুন ...

Sunday, June 11, 2017

মাত্র পাঁচ মিনিটে স্মার্ট ফোন চার্জ করা যাবে!



মাত্র পাঁচ মিনিটে স্মার্ট ফোন চার্জ করার নতুন প্রযুক্তি ২০১৮ সাল নাগাদ বাজারে আসতে পারে বরে ধারণা করা হচ্ছে।

২০১৫ সালে ইসরায়েলের স্টোরডট নামের একটি প্রতিষ্ঠান আমেরিকার লাস ভেগাসে এক প্রযুক্তি মেলায় এ ধরণের প্রযুক্তি তুলে ধরেছিল।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী বিবিসিকে জানিয়েছেন আগামী বছরের মধ্যে পাঁচ মিনিটে মোবাইল ফোন চার্জ করার প্রযুক্তি ক্রেতাদের হাতে পৌঁছে যাবে।

Friday, June 9, 2017

এবার মোবাইল অ্যাপ সনাক্ত করবে নগ্নতা


আপনার সন্তানের স্মার্ট ফোন ব্যবহার নিয়ে কি আপনি খুব বেশি চিন্তিত? বিশেষ করে এই ফোনের সাহায্যে তার নগ্ন ছবি চালাচালির ব্যাপারে।

এ ব্যাপারে অভিভাবকদের আশ্বস্ত করতে এগিয়ে এসেছে একটি কোম্পানি যারা এমন একটি অ্যাপ তৈরি করেছে যার সাহায্যে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার সন্তান কখন অন্য কারো কাছ থেকে ফোনে নগ্ন ছবি রিসিভ করছে, আবার কখন সে এধরনের ছবি অন্য কাউকে পাঠাচ্ছে।

এই অ্যাপটির নাম গ্যালারি গার্ডিয়ান। এতে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যা কোনো ছবিতে নগ্নতাকে চিহ্নিত করতে পারে।



কোনো শিশু যখন তার মোবাইল ফোনে নগ্ন ছবি সেইভ করবে তখনই সাথে সাথে অভিভাবকের ফোনে বসানো অ্যাপের সাহায্যে তাকে এবিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হবে।

ইপো টেকনোলজিস নামের একটি কোম্পানি এই অ্যাপটি উদ্ভাবন করেছে। কিভাবে কাজ করে এই প্রযুক্তি- ব্যাখ্যা করছিলেন কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা ড্যানিয়েল স্কুরনস্কি। তিনি বলেন, এটা খুব সহজ।

"যেসব ছবি কেউ রিসিভ করবে বা পাঠাবে এই অ্যাপ প্রথমে যাচাই করে দেখবে সেসব ছবিতে কোনো মানুষ আছে কীনা। এটা করার পর অ্যাপটি দেখবে যে ওই ছবিটিতে কি ধরনের ত্বক দেখা যায়, কতোটুকু দেখা যায়। ছবিটিতে যতো বেশি ত্বক দেখা যাবে অ্যাপের এলগরিদম ঠিক ততোটাই বেশি কাজ করবে। এই এলগরিদমের সাহায্যেই নির্ধারণ করা হবে সন্দেহজনক ছবিটির বিষয়বস্তু।"

বিভিন্ন রকমের ছবি রিসিভ করে এবং পাঠিয়ে এই অ্যাপটি পরীক্ষা করে দেখেছে বিবিসি।

এসময় দেখা গেছে এই অ্যাপটি একটি ছবিকে ধরতে পারেনি। ছবিটি হচ্ছে, পুরো পোশাক পরিহিত একটি মিরর সেলফি- অর্থাৎ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তোলা নিজেরই একটি ছবি। কিন্তু সেখানে শরীরের বিশেষ একটি অংশ উন্মুক্ত ছিলো।

তার মানে কি যে এই অ্যাপের মধ্যে এখনও এমন কিছু ফাঁক রয়ে গেছে যা দিয়ে নগ্ন ছবি বেরিয়ে পড়তে পারে?

ড্যানিয়েল স্কুরনস্কি বলেন, "এর কারণ হচ্ছে, এই অ্যাপ প্রথমে শরীরের ত্বকের ওপর দৃষ্টি দেয়। অর্থাৎ কতোটুকু শরীর দেখা যাচ্ছে তার ওপর। এই অ্যাপটি যাতে যৌনাঙ্গকেও শনাক্ত করতে পারে আমরা এখন সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।"

"এই কাজের জন্যে যন্ত্রটিকে তৈরি করা কখনও কখনও খুব কঠিন একটি কাজ। এই কাজটি করতে স্মার্ট ফোনের এলগরিদম তৈরি করাই হচ্ছে এখনকার চ্যালেঞ্জ," বলেন তিনি।


তিনি জানান, "এটা কঠিন কারণ যৌনাঙ্গের আকার ও আকৃতি বিভিন্ন রকমের। তবে এটাও মনে রাখতে হবে যে প্রতিদিনই এই এলগরিদমের উন্নতি হচ্ছে। প্রতিনিয়তই এটি নতুন নতুন জিনিস শিখছে। এবং এখনও এই অ্যাপটা যা করতে পারছে সেটিও দারুণ ঘটনা।"


শুধু যে নগ্ন ছবিকে ঠিক মতো ধরতে পারেনি সেটাই নয়, এই অ্যাপটি ভুল করে অন্য একটি ছবিকে নগ্ন ছবি বলে চিহ্নিত করেছে। ওই ছবিটিতে এক দল শিশু সমুদ্র সৈকতে খালি গায়ে খেলা করছিলো।


এই ধরনের ঘটনা কি অভিভাবকদের বিরক্ত করতে পারে?


"একজন অভিভাবক হিসেবে আমি কিন্তু এধরনের সতর্কবার্তা পেলে খুশিই হবো। কারণ এর সাহায্যে আমি জানতে পারবো যে আমার সন্তান আসলে কি ধরনের ছবি চালাচালি করছে।"


বিবিসি কুড়িটি নগ্ন ছবি পাঠিয়ে এই অ্যাপটি পরীক্ষা করে দেখেছে। তার মধ্যে ১২টি ছবি সাথে সাথেই ধরা পড়েছে। কিন্তু বাকি আটটি ছবি বেরিয়ে পড়েছে প্রযুক্তির ফাঁক গলে।


কোম্পানিটি দাবি করছে, নগ্ন ছবি শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এই অ্যাপের সাফল্যের হার ৯৬ শতাংশ।



উৎস ঃ এখানে ক্লিক করুন ..


 

Wednesday, June 7, 2017

রিভ অ্যান্টিভাইরাস সাইবার কণিকা


সাম্প্রতিক একাধিক ভয়াল ঘটনায় কিশোর ও তরুণদের সংশ্লিষ্টতা অনেক অভিভাবককেই সংক্ষুব্ধ করেছে। বিচলিত অভিভাবকদের কেউ হয়তো সন্তানের গতিবিধির ওপর নজর রাখছেন। আবার কেউ বলছেন, ইন্টারনেটসহ আধুনিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর অপব্যবহারের কথা।

বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট বা কম্পিউটার ব্যবহার থেকে বাচ্চাদের বিরত রাখা যেমন কঠিন, তেমনি বোকামিও। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। অনেকে অবশ্য তার বদলে ব্যবহারের স্বাধীনতা দিয়ে সেটা নজরদারির মধ্যে রাখার কথা ভাবেন। সচেতন এবং আধুনিক অভিভাবকদের এই ভাবনা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার; কিন্তু দিনে কতবার ছেলে বা মেয়ের ঘরে উঁকি মেরে দেখবেন? আর সে ক্ষেত্রে যাঁরা চাকরি বা ব্যবসা করছেন, তাঁদেরই বা উপায় কী?


শুধু তাই নয়, বাচ্চারাও এখন আর পিছিয়ে নেই। বাচ্চারা ধরেই নেয় যে অনলাইনে তারা যা দেখে বা করে, তা তাদের অভিভাবকরা ভালোভাবে নেবেন না। তাই তারাও ব্যবহারশেষে অনলাইন হিস্টরি মুছে ফেলে হরহামেশাই। এ ছাড়া হুট করে বাসায় ইন্টারনেট বা কম্পিউটার ব্যবহার বন্ধ দিলে হয়তো সন্তান আপনাকে না জানিয়েই বন্ধু-বান্ধব কিংবা সাইবার ক্যাফেমুখী হতে পারে।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, ৭০ শতাংশ বাবা-মা জানেন না, সন্তান তাঁদের অগোচরে অনলাইনে উত্তেজক ও বেআইনি বিষয়বস্তু খুঁজে ফেরে। এখানেই শেষ নয়, ভয়ংকর হলেও সত্যি যে এসবের ধারাবাহিকতায় বাচ্চাদের অনেকেই জড়িয়ে যায় সাইবার বুলিংসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজ ও সম্পর্কে।

একটি বা দুটি নয়, প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও এমন ঘটনা ঘটছে বলে সব অভিভাবকেরই সচেতন হওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলসহ ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার হতে পারে আদর্শ সমাধান। সন্তানের অনলাইন গতিবিধি নজরে রাখার পাশাপাশি এতে সাইবার বুলিংসহ যেকোনো অনলাইন প্রতারণা প্রতিহত করতে পারবেন।

বাজারে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলসহ বেশ কিছু অ্যান্টিভাইরাস পাওয়া গেলেও বাংলাদেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান রিভ সিস্টেমস উদ্ভাবিত ‘রিভ অ্যান্টিভাইরাস’ সর্বাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন। এতে ব্রাউজার থেকে যেকোনো সাইট ব্লকিং ছাড়াও রয়েছে ক্যাটাগরিভিত্তিক ব্লকিং; যেখানে অ্যাডাল্ট, গ্যাম্বলিং ইত্যাদিসহ রয়েছে অর্ধশতাধিক ক্যাটাগরি।

ক্যাটাগরিভিত্তিক ব্লকিংয়ের সুবিধা এই যে আপনি একটি ক্যাটাগরি ব্লক করে দিলে এ-সংক্রান্ত কোনো সাইটেই আর প্রবেশ করা যাবে না। আপনি চাইলে টাইম বেজড ব্লকিংয়ে নির্ধারিত সময় বা সপ্তাহের কোনো দিন, ঘণ্টা বা মিনিট ধরেও ব্লক করতে পারেন।

তবে রিভ অ্যান্টিভাইরাসের অ্যাডভান্সড প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের সবচেয়ে বড় সুবিধা এই যে আপনি চাইলে ব্লক না করে সার্ভেইলেন্স মোডে নজর রাখতে পারেন সন্তানের অনলাইন কর্মকাণ্ডে। সার্ভেইলেন্স মোড চালু করে ক্যাটাগরি নির্বাচন করে দিলে ওই পিসি থেকে কোনো সাইটে প্রবেশ করামাত্র আপনি মোবাইলে একটি নোটিফিকেশন পাবেন। এটি সম্পূর্ণভাবে আপনার সন্তানের অজ্ঞাতেই পাঠানো হয়, ফলে এতে তার আর কৌশলী বা অভিমানী হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

ইন্টারনেট সার্ভেইলেন্সের সবচেয়ে বড় সুবিধা এই যে, এতে আপনি পরে সুবিধাজনক সময়ে সন্তানকে বেআইনি সাইট ব্রাউজ করার কুফল ও তা থেকে দুরে থাকার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে পারবেন। এ ছাড়া সাইবার বুলিং সেফটিসহ অনলাইনে নিরাপদ থাকতে সন্তানকে এসবের কুফল বুঝিয়ে বলুন। কম্পিউটার কেন আর অনলাইনেই বা তার করণীয় কী, তা তাকে জানিয়ে দিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কী, কেন ও কাদের সঙ্গে কীভাবে কথা বা যোগাযোগের জন্য তা-ও তাকে বুঝিয়ে বলুন। সর্বোপরি, বকাঝকা করে নয়, সন্তানকে দিকনির্দেশনা দিতে হবে বন্ধুর মতো।

 

উৎস ঃ এখানে ক্লিক করুন ..

Tuesday, June 6, 2017

নতুন রুপে নোকিয়া ৩৩১০ এখন ভারতের বাজারে


কয়েক মাস অপেক্ষার পর ভারতের বাজারে এলো নতুন রূপে পুরোনো মডেল নোকিয়া ৩৩১০। মডেলের সঙ্গে মিল রেখে ফোনটির দামও নির্ধারণ করা হয়েছে তিন হাজার ৩১০ রুপি। ভারতের বাজারে বিক্রি শুরু হবে ১৮ মে, বৃহস্পতিবার।

মডেলটির চারটি রঙের মুঠোফোন কিনতে পারবেন গ্রাহকরা। এই রংগুলোর মধ্যে রয়েছে লাল, হলুদ, গাঢ় নীল ও ধূসর।

যাঁরা কথা বলতে সাধারণ একটি মুঠোফোন ব্যবহার করতে চান অথবা মূল মুঠোফোনের সঙ্গে আরেকটি বিকল্প রাখতে চান, তাঁদের কথা বিবেচনা করে নতুন সেটটি বাজারে এনেছে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এইচএমডি গ্লোবাল। এই মডেলটির সঙ্গে অনেকের আবেগ জড়িয়ে আছে। সেই দিকটি বিবেচনায় নিয়ে পুরোনোটির মতোই এটিতে দীর্ঘমেয়াদি ব্যাটারি, সাপ খেলার অপশন রাখা হয়েছে। এ ছাড়া মুঠোফোনটি থেকে টু জি গতিতে ইন্টারনেটে কাজ করা যাবে।

আগেরটির মতো নতুন সেটেও থাকছে হাইলাইট, মাইক্রো-ইউএসবি পোর্ট। তবে আগেরটির মতো এটিতে থাকছে না চিকন পিনের চার্জার। এ ছাড়া নোকিয়ার স্ল্যাম প্রযুক্তি ব্যবহার করে  সংযুক্ত করা হয়েছে ব্লুটুথ ৩.০। এটির স্টোরেজ থাকবে ১৬ মেগাবাইট। তবে এটিকে মাইক্রো এসডি কার্ড দিয়ে ৩২ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

এই মুঠোফোনটির সামনে কোনো ক্যামেরা থাকবে না। তবে পেছনে দুই মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা সংযুক্ত করা হয়েছে, যাতে এলইডি ফ্ল্যাশ থাকবে। এ ছাড়া থাকছে এফএম রেডিও শোনার সুযোগ।

নতুন এই ভার্সনের ব্যাটারিটি এক হাজার ২০০ মেগাহার্টজের, যা দিয়ে টানা ২২ ঘণ্টা পর্যন্ত কথা বলা যাবে।

 

উৎস ঃ এখানে ক্লিক করুন ..

Saturday, May 20, 2017

অপরাধ দমনে ৩ হাজার লোক নেবে ফেসবুক



বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফেসবুক। দৈনন্দিন জীবনের নানা ঘটনার স্ট্যাটাস ফেসবুকে পোস্ট করেন অনেকেই। একই সঙ্গে খুনসহ নানা অপরাধমূলক পোস্টও দিন দিন বেড়ে চলেছে। এ ধরনের পোস্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নতুন করে জনবল নিতে যাচ্ছে ফেসবুক।

গ্যাজেট নাও-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ সম্প্রতি জানান, ‘ফেসবুকে পোস্ট হওয়া সমস্ত ভিডিও এবং ছবি পর্যবেক্ষণ করতে নতুন করে আরো তিন হাজার লোক নিয়োগ দেওয়া হবে। ২০১৮ সালের মধ্যেই এই নিয়োগ শেষ করা হবে।’

জাকারবার্গ জানান, ‘এরই মধ্যে ফেসবুকের সব পোস্ট মনিটর করার জন্য চার হাজার ৫০০ লোক রয়েছে। যাদের কাজ কোনো পোস্ট সম্পর্কে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে রিপোর্ট পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া। তিনি বলেন, ফেসবুকের শর্ত না মেনে কোনো পোস্ট করা হলে অভিযোগ না পেলেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পুলিশের ভাষ্যমতে, গত সপ্তাহে থাইল্যান্ড বসবাসকারী এক বাবা তাঁর মেয়েকে ফেসবুক লাইভে হত্যা করেন। মুহূর্তেই সেই ভিডিও তিন লাখ ৭০ হাজার মানুষ দেখে। পরবর্তী সময়ে সেই লাইভ ভিডিও মুছে দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে কিশোরীকে ধর্ষণ ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডে ৭৪ বছরের রবার্ট গুডউইন নামক ব্যক্তিকে ফেসবুকে লাইভে গুলি করে হত্যার ভিডিও মুছে দেয় ফেসবুক।

আসছে ফেসবুক টিভি



ভাবছেন, আসছে ঈদে বোনাসের টাকায় একটা টিভি কিনে ফেলবেন? এতগুলো টাকা কেন টিভি কিনে নষ্ট করবেন? তার চেয়ে একটু সবুর করুন। আর কয়েক দিনের মধ্যে ফেসবুকেই পেতে যাচ্ছেন টিভির সুবিধা। না, কোনো লাইভ স্ট্রিমিং নয়, একবারে চিরাচরিত সেই টিভির মতো নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট অনুষ্ঠান আপনি ফেসবুকেই দেখতে পাবেন।

বিজনেস ইনসাইডারের বরাত দিয়ে ম্যাশেবল জানায়, ভিডিওকে অগ্রাধিকার দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে ফেসবুক। কেমন হবে ফেসবুকের টিভি? এমন প্রশ্নের উত্তরে সামাজিক যোগাযোগের দৈত্যাকৃতির এই মাধ্যমটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানায়, এ বছর জুনে টেলিভিশনের ধরন এবং অনুষ্ঠান নিয়ে তাদের ওয়েবসাইটে একটি তালিকা প্রকাশ করতে যাচ্ছে। যদিও অনুষ্ঠানের নাম এবং এতে কারা কাজ করবেন, সে ব্যাপারে কিছুই আপাতত জানা যায়নি। তবে প্রতিবেদন বলছে, অনুষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় দুই ডজনের কাছাকাছি।

ম্যাশেবলের বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী জানা যায়, ফেসবুক মূলত দুই ধরনের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তাদের পরিকল্পনা সাজিয়েছে : চিরাচরিত টিভি অনুষ্ঠানের মতো স্ক্রিপ্টকে কেন্দ্র করে বড় বাজেটের অনুষ্ঠান এবং ছোট বাজেটের কিছু অনুষ্ঠান, যা প্রতিনিয়ত হালনাগাদ করা হবে। নেটফ্লিক্স, হুলু ও অ্যামাজনের মতো প্রতিষ্ঠানও এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল। কিন্তু তাদের ভাগ্যও হয়েছে অ্যাপল, ভার্টিজন, স্ন্যাপচ্যাট এবং বর্তমান টুইটারে মতো। তারা টিভি খুললেও প্রকৃতপক্ষে মানসম্মত অনুষ্ঠান দিতে পারেনি কেউ।

আর বর্তমানে ফেসবুকের প্রতি মানুষের যে নির্ভরতা, তাতে যদি এর সঙ্গে টিভি যোগ করা হয় তাহলে আমরা আশা করতেই পারি যে ‘গেম অব থ্রোন’ অথবা ‘ওয়াকিং ডেড’-এর পরবর্তী চলচ্চিত্রগুলো চিরাচরিত টিভি কিংবা ইন্টারনেটের সার্ভারগুলোতে নয়, বরং ফেসবুকের টিভিতেই দেখতে পাব। পাশাপাশি ফেসবুকের অন্য সুবিধাদি তো থাকছেই। ফলে ফেসবুকে ঢুঁ মারতে গিয়ে অনুষ্ঠান বা খেলার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছুটে যাওয়ার আর কোনো আশঙ্কাই নেই

ইউসি ব্রাউজার বাংলাদেশে নিয়ে এলো বিডি এক্সপ্রেস



চীনের আলিবাবা মোবাইল বিজনেস গ্রুপের পোর্টফোলিও প্রতিষ্ঠান ইউসিওয়েব নিয়ে এসেছে ‘বিডি এক্সপ্রেস’। আজই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এই নিউজ এগ্রেগেটরটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পাঠকের সংবাদপ্রাপ্তির অভিজ্ঞতাকে বদলে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশের খ্যাতনামা নিউজপোর্টালগুলোর সহযোগিতায় অভিনবভাবে কাজ করবে বিডি এক্সপ্রেস। এনটিভি অনলাইন শুরু থেকেই এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।

বিডি এক্সপ্রেস একটি শক্তিশালী অ্যালগরিদমসম্পন্ন নিউজ এগ্রেগেটর, যা কন্টেন্ট সংগ্রহের চিরাচরিত পথকে পরিবর্তন করে। এটি বিগ ডাটা নিখুঁতভাবে নিউজ পুশিং এবং পাঠককে সঠিক সংবাদ দিতে সক্ষম। আর এভাবেই প্রত্যেক ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন তথ্য গ্রহণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এটি।

ইউসি ব্রাউজারের অ্যানড্রয়েড ভার্সনের জন্য বিডি এক্সপ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয় ৫ আগস্ট। ইউসি ব্রাউজার ব্যবহারকারীদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ার মাধ্যমে বিডি এক্সপ্রেস বাংলাদেশের প্রায় ১৬ লাখ ব্যবহারকারীকে আকৃষ্ট করেছে। বিডি এক্সপ্রেস রাজনীতি, প্রযুক্তি, বিনোদন, খেলাধুলা, লাইফস্টাইল, লেটেস্ট ট্রেন্ডসহ বিভিন্ন ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ পরিবেশন করবে। এটি একটি বিজ্ঞাপনমুক্ত সেবা, যা ব্যবহারকারীকে দ্রুত স্ট্রিমিং ও ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা দেবে। এ অর্জনকে উদযাপন করতে, ইউসিওয়েব বিভিন্ন ক্ষেত্রের সেলিব্রেটির অংশগ্রহণে একটি ক্যাম্পেইন করবে।

চিরাচরিত অন্যান্য সংবাদ উৎসের সঙ্গে পার্থক্য করে বাংলাদেশে ইউসি ব্রাউজারের প্রোডাক্ট ম্যানেজার সিহাই ইও বলেন, ‘ইউসি ব্রাউজারের বিগ ডাটা এবং অ্যালগরিদম প্রযুক্তির ভিত্তিতে বিডি এক্সপ্রেস ব্যবহারকারীর সুবিধার্থে কাস্টমাইজড সংবাদ পরিবেশন করে, যা অন্যান্য সংবাদ উৎস থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। পাশাপাশি ইউসি ব্রাউজার পুশ নোটিফিকেশনের সহায়তায় ব্যবহারকারীরা তাৎক্ষণিক ব্রেকিং নিউজ পাবেন, যা তাদের জন্য আগ্রহজনক। এর অর্থ হলো, আমাদের ব্যবহারকারীদের কোনো স্প্যাম পেজ ফিল্টার করার দরকার নেই এবং তাঁরা তাঁদের চাহিদামতো প্রাসঙ্গিক সংবাদগুলো তাৎক্ষণিকভাবে পাবেন।’

অ্যাডভান্সড ক্লাউড এক্সেলারেশন এবং ডাটা কমপ্রেশন প্রযুক্তিগুলো অন্য যেকোনো ব্রাউজারের চেয়ে ইউসি ব্রাউজার নিউজ লোডিংয়ের ক্ষেত্রে দ্রুততর গতি নিশ্চিত করে। এতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যাড-ব্লকিং ফাংশন, যার ফলে অন্যান্য নিউজ ওয়েবসাইটগুলোর মতো বিরক্তিকর ও অপ্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপন থেকে বিরত রেখে ব্যবহারকারীকে আরামদায়ক পড়ার পরিবেশের নিশ্চয়তা দেয়।

বিডি এক্সপ্রেসের প্রত্যাশা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে হাওয়ার্ড লিয়াং—যিনি ইউসিওয়েব, আলিবাবা মোবাইল বিজনেস গ্রুপের বিজনেস ডিরেক্টর অব ইমার্জিং মার্কেট—তিনি বলেন, ‘অনন্য সব ফিচারকে ভিত্তি করে ইউসি ব্রাউজার এর গ্রাহকের মোবাইল ব্রাউজিং অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশে বিডি এক্সপ্রেস চালু হওয়ার মাধ্যমে ইউসি ব্রাউজারকে কন্টেন্টের টুল হিসেবে প্রস্তুত করতে আমাদের জন্য এটি একটি নতুন পদক্ষেপ। ইউসিওয়েব এবং আলিবাবা মোবাইল বিজনেস গ্রুপের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে কন্টেন্ট ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করা।’

আলিবাবা মোবাইল বিজনেস গ্রুপের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইউসিওয়েব ইনকরপোরেট (ইউসিওয়েব) শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ইন্টারনেট সফ্টওয়্যার ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। ২০০৪ সালের শুরু থেকে ইউসিওয়েব সারা বিশ্বের মানুষের সেরা মানের মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ইউসিওয়েবের আন্তর্জাতিক পণ্য পোর্টফোলিওতে রয়েছে ইউসি ব্রাউজার (মোবাইল ব্রাউজিং সার্ভিস), ইউসি নিউজ (কন্টেন্ট এগ্রেগেটর) ৯ অ্যাপস (অ্যানড্রয়েড অ্যাপ স্টোর), ইউসি ইউনিয়ন (মোবাইল ট্যারিফ অ্যান্ড মোনেটাইজেশন প্ল্যাটফর্ম) ইত্যাদি। ইউসি ব্রাউজার বিশ্বের দ্বিতীয় মোবাইল ব্রাউজার, যেটি ২০১৬ সালের মে পর্যন্ত ২০ শতাংশের বেশি পেজ ভিউ মার্কেট শেয়ার নিয়ে রয়েছে (স্ট্যাট কাউন্টার অনুযায়ী)। মে, ২০১৬ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ইউসি ব্রাউজার ৪০ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারী পেয়েছে, যেখানে ৯ অ্যাপসের ২৫ কোটি।

ইউসিওয়েব এবং এর বিভিন্ন পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-www.ucweb.com

আলিবাবা মোবাইল বিজনেস গ্রুপ শীর্ষস্থানীয় মোবাইল কন্টেন্ট ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। এর পোর্টফোলিও পণ্যতে রয়েছে মোবাইল ব্রাউজার, মোবাইল সার্চ, লোকেশন-বেইজড সার্ভিস, মোবাইল গেমিং, অ্যাপ স্টোর এবং মোবাইল রিডার অপারেশন। অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগুলো এবং বিগ ডাটা নিয়ে আলিবাবা মোবাইল বিজনেস গ্রুপ মোবাইল ইন্টারনেটে নতুনত্ব ও নির্ভরযোগ্যতা আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

নতুন ক্রোমবুক আনছে স্যামসাং



অর্ধযুগ পার করল গুগলের ক্রোমবুক। আর এই লম্বা সময়ে গুগল তাদের ক্রোমবুক নির্মাণ করেছে ডেল, অ্যাসার কিংবা স্যামসাংয়ের মতো টেকজায়ান্টের সঙ্গে। স্বল্পমূল্য এবং মধ্যম ধাঁচের স্পেসিফিকেশনের নোটবুক কম্পিউটার হিসেবে ক্রোমবুকের পরিচিত থাকলেও নতুন ক্রোমবুকে সম্মিলন ঘটেছে বেশ শক্তিশালী হার্ডওয়্যারের। এ খবর জানাচ্ছে ফোর্বস।

স্যামসাংয়ের নির্মিত ক্রোমবুক প্রো বাজারে আসতে যাচ্ছে আগামী এপ্রিলে। ইন্টেলের কোর এমথ্রি-৬ওয়াই৩০ হেক্সাকোর প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে ক্রোমবুক প্রোতে। ৪ গিগাবাইট র‍্যাম এবং ৩২ গিগাবাইট স্টোরেজ থাকবে এখানে। ওয়েব ব্রাউজিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন অ্যানড্রয়েড অ্যাপ এখানে চলবে বাধাহীনভাবে।

তবে নতুন ক্রোমবুকে সবচেয়ে বেশি উন্নতি ঘটেছে তার পর্দায়। ২৪০০ x ১৬০০ রেজ্যুলুশনের টাচস্ক্রিন এলইডি পর্দা অ্যাপলের ম্যাকবুকের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার যোগ্যতা রাখে। অন্যদিকে ক্রোমবুক প্রো মাত্র ০.৫৫ ইঞ্চি পুরু এবং ওজন এক কেজির কিছু বেশি। সঙ্গে থাকছে দুটি ইউএসবি-সি পোর্ট। ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক, মাইক্রোএসডি কার্ড স্লট এবং ব্লুটুথের মতো আইও সুবিধা থাকছে অন্যান্য সাধারণ ল্যাপটপের মতো। অপারেটিং সিস্টেম বরাবরের মতই ক্রোম ওএস।

ক্রোমবুকের সঙ্গে থাকবে একটি টাচস্ক্রিন পর্দার উপযোগী পেন, যার ফলে বিভিন্ন অ্যাপ আরো বেশি স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করা যাবে। ৩৬০ কোণে বাঁকানো যাবে ক্রোমবুক প্রোকে, যার ফলে ট্যাব হিসেবেও ব্যবহারে কোনো সমস্যা থাকবে না।

গুগলের ক্রোমবুক দিন দিন আরো বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠছে। এমনকি অনেক শক্তিশালী পিসি এবং ম্যাকবুকের সঙ্গেও প্রতিযোগিতায় নামতে যাচ্ছে তারা। মার্চ মাস থেকে পাওয়া যাবে ক্রোমবুক প্রো, যার দাম ধরা হয়েছে ৫৪৯ মার্কিন ডলার।

সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার চীনের কাছে



বর্তমানে সারা বিশ্বে হাতে গোনা কয়েকটি সুপার কম্পিউটার রয়েছে। সেই সংক্ষিপ্ত তালিকায় এবার নাম লেখালো চীনে নির্মিত সুপার কম্পিউটার ‘সানওয়ে তাইহু লাইট’। শুধু নাম লেখানোতেই থেমে থাকেনি। তালিকায় সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটারের জায়গাটিও দখল করেছে চীনা সুপার কম্পিউটারটি। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবলের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

সুপার কম্পিউটারের মালিক হওয়া চীনের জন্য নতুন কিছু নয়। এর আগে শীর্ষ স্থান দখল করে থাকা সুপার কম্পিউটারটিও চীনাদের হাতেই তৈরি। তবে একদিক থেকে সানওয়ে তাইহু লাইট পূর্ববর্তী সকল চীনা সুপার কম্পিউটার থেকে অনন্য।

কারণ চীনাদের নতুন এই সৃষ্টির আপাদমস্তক চীনে তৈরী যন্ত্রাংশ দিয়ে নির্মিত। আগের তিয়ানহি-২ সুপার কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়েছিল মার্কিন প্রতিষ্ঠান ইন্টেলের চিপ।
চীনের এই সুপার কম্পিউটারের বিশালত্ব বোঝানোর জন্য এটির চিপকে তুলনা করা যেতে পারে ইন্টেলের সর্বশেষ কোরআই ৭ প্রসেসরের সাথে। যেখানে ইন্টেলের এই প্রসেসরে রয়েছে ১০টি কর্মক্ষম কোর সেখানে সানওয়ে তাইহু লাইটে রয়েছে এক কোটিরও বেশি কোর।

তালিকায় তৃতীয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার টাইনের সাথে কার্যক্ষমতার দিকে থেকে যার তফাৎ অনেক বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়নে থাকা টাইটান রয়েছে ওক রিজ ন্যাশলান ল্যাবরেটরিতে, যার কোর সংখ্যা পাঁচ লক্ষ ৬০ হাজার।

সুবিশাল সুপার কম্পিউটারটি কাজের দিক থেকেও অতীতের সকল সুপার কম্পিউটারের চাইতে অনেক এগিয়ে। প্রতি সেকেন্ডে ৯৩ কোয়াডড্রিলিয়ন গণনা পরিচালনা করতে পারে। সংখ্যাটিকে অংকে লিখতে হলে ৯৩ এর পর বসাতে হবে ১৫টি শূণ্য।

তবে এত কর্মক্ষম হয়েও শক্তি খরচের দিক থেকে দারুণ কিপটে সানওয়ে তাইহু লাইট। খুব কম শক্তি খরচ করে কাজ চালাতে পারবে এটি। একই সাথে র‍্যাম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সাশ্রয়ী।

টপ ৫০০ ওয়েবসাইটে মোট ৫০০ সুপার কম্পিউটারের তালিকাতেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে দিয়েছে চীন। মোট সুপার কম্পিউটারের হিসাবে এখন শীর্ষে অবস্থান করছে চীন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানায় যেখানে ১৬৫টি সুপার কম্পিউটার রয়েছে সেখানে চীনের মালিকানায় রয়েছে ১৬৭টি।

গ্যালাক্সি এস৮-এর ৮ চমক!



উন্মোচিত হয়েছে বছরের অন্যতম আলোচিত স্মার্টফোন স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮। ফিচার এবং স্পেসিফিকেশনের দিক থেকে স্যামসাংয়ের এই ফ্ল্যাগশিপ সিরিজ সব সময়ই নতুন এক মাত্রা সৃষ্টি করে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বেজেললেস পর্দা, হোম বাটনকে বিদায় জানানো, উন্নত সেলফি ক্যামেরাসহ বেশ কিছু ফিচার এরই মাঝে প্রযুক্তি দুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

দ্য ভার্জ তাদের এক প্রতিবেদনে এ রকম বেশ কিছু অভিনব এবং চমক জাগানো ফিচারের কথা জানাচ্ছে। চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক সেসব ফিচারে-

১। ইনফিনিটি ডিসপ্লে

গ্যালাক্সি এস৮-এ থাকছে পাঁচ দশমিক আট ইঞ্চির পর্দা। বর্তমানে অন্যান্য ফ্ল্যাগশিপের মতোই পর্দার আকার হলেও একদিক থেকে অভিনব এস৮। উপরে এবং নিচের সামান্য অংশ বাদ দিলে স্মার্টফোনের সম্মুখভাগের প্রায় সম্পূর্ণই সুপার অ্যামোলেডের পর্দা। অবশ্য এই বিশালাকার পর্দার জন্য অ্যাসপেক্ট রেশিওতে এসেছে পরিবর্তন। ১৬:৯ অ্যাসপেক্ট রেশিওর পরিবর্তে এস৮-এ সেটি ১৮.৫:৯। অন্যদিকে ছয় দশমিক দুই ইঞ্চির এস৮ প্লাস নামের আরেকটি সংস্করণও নির্মাণ করেছে স্যামসাং।

২। ফোর্স টাচ

অ্যাপলের মতো স্যামসাং তাদের নতুন ফিচারকে ঠিক ‘ফোর্স টাচ’ নামে না ডাকলেও আদতে তার কার্মপদ্ধতি একই। অন্যদিকে স্যামসাং তাদের ফোনের আইকনিক হোম বাটনকে বিদায় জানিয়েছে। তার পরিবর্তে জায়গা করে নিয়েছে ভার্চুয়াল হোম বাটন। তা ছাড়া ফিংগার প্রিন্ট স্ক্যানারের অবস্থান এখন ফোনের পেছনে ক্যামেরার ঠিক পাশে।

৩। উন্নত সেলফি ক্যামেরা

গ্যালাক্সি সিরিজের স্মার্টফোনগুলোর ক্যামেরার ব্যাপারে স্যামসাং সব সময় গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তবে এস৮-এর ক্ষেত্রে মূল ক্যামেরার তেমন একটা পরিবর্তন আসেনি। তবে সেলফি ক্যামেরায় উৎকর্ষ সাধন করেছে স্যামসাং। ৮ মেগাপিক্সেল এফ/১.৭ লেন্সে রয়েছে অটোফোকাস সুবিধা।

৪। ফেস স্ক্যানিং

‘ফেসিয়াল রিকোগনিশান’ অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোনের জন্য একদম নতুন কিছু নয়। তবে গ্যালাক্সি এস৮-এ এই ফিচার আরো বেশি নির্ভুল এবং দ্রুত। ফিংগার ফ্রিন্ট স্ক্যানার ফোনের পেছনে চলে যাওয়ার কারণে এখন আঙ্গুলের পরিবর্তে ব্যবহারকারীর মুখচ্ছবিই আরো বেশি কার্যকর হয়ে উঠবে ফোনের লক খোলার কাজে।

৫। বিক্সবি

মাইক্রোসফট, গুগল কিংবা অ্যাপলের দেখানো পথ অনুসরণ করল স্যামসাং। এস৮ স্মার্টফোনে থাকছে স্যামসাংয়ের নিজস্ব ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট ‘বিক্সবি’। মূলত ফোনের বিভিন্ন ফিচার ব্যবহার-বান্ধব করার দায়িত্বে থাকবে বিক্সবি। রিমাইন্ডার ব্যবহার কিংবা ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে ফোনকে অন্য কোনো ডিভাইস যেমন টিভির সঙ্গে যুক্ত করা যাবে বিক্সবির মাধ্যমে।

৬। ডেক্স

শুধু হাতের স্মার্টফোনের মাধ্যমে ডেস্কটপ কম্পিউটারের সব কর্ম সমাধান এখন আর স্বপ্ন নয়। এইচপিসহ বেশ কিছু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে সে উদাহরণ দেখিয়েছে। এস৮-এর মাধ্যমে ডেস্কটপ কম্পিউটারের অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য স্যামসাং নির্মাণ করেছে ডেক্স। ডেক্স মূলত স্মার্টফোনের সঙ্গে ডেস্কটপ কম্পিউটারকে যুক্ত করার জন্য একটি স্ট্যান্ড, যেখানে থাকছে ইউএসবি-সি-সহ আরো কিছু পোর্ট। যেকোনো ডেস্কটপ কম্পিউটার পর্দাকেই বানিয়ে ফেলবে এস৮-এর ডেস্কটপ সংস্করণ।

৭। ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক

অন্যসব টেক জায়ান্ট যখন তাদের ফ্ল্যাগশিপ থেকে ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক সরিয়ে ফেলায় ব্যস্ত, স্যামসাং তখনো এস৮-এ যত্নসহ জায়গা দিয়েছে হেডফোন জ্যাককে। যদিও এস৮ সর্বশেষ ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্লুটুথ ৫ সমর্থন করে, তারপরও হেডফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে তারা সম্পূর্ণ ব্লুটুথের ওপর নির্ভরশীল হয়নি। পুরোনো হেডফোন জ্যাকই এখনো বেশির ভাগ ব্যবহারকারীর জন্য বেশ আস্থার নাম।

৮। নিরাপদ ব্যাটারি

স্যামসাংয়ের জন্য এক কালো অধ্যায়ের নাম নোট ৭। তাদের এই ফ্ল্যাগশিপের ব্যাটারি বিস্ফোরণ শুধু তাদের বিলিয়ন ডলারের লোকসানই করেনি, চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তাদের ভাবমূর্তি। ক্রেতাদের আস্থার জায়গাতেও বড় একটি ফাটল ধরিয়েছে। তবে এস৮-এ এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটবে না বলেই মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। স্যামসাং জানিয়েছে, আট ধাপে বিভিন্ন ধরনের নিরীক্ষা চালানো হয়েছে ব্যাটারি নিয়ে। আশা রাখা যায়, নোট ৭-এর ভাগ্য বরণ করতে হবে না এস৮-কে।

মোবাইল ফোন চার্জ নিয়ে ভুল ধারণা



মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের প্রতিদিনই নিজের ফোনটিকে চার্জ দিতে হয়। এটি একটি অভ্যাসে পরিণত হয়েছে ব্যবহারকারীদের। তবে এই চার্জ দেওয়া নিয়ে কিছু ভুল ধারণা আমরা লালন করি, বা পালন করি। মানে বলা হয়, এটা করলে ফোনের ক্ষতি হবে, ওটা করলে ব্যাটারির সমস্যা হবে ইত্যাদি।

প্রায় সব স্মার্টফোনেই থাকে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি। আর মাঝেমধ্যেই এসব ব্যাটারির বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। কিছুদিন আগেই স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৭ মোবাইল ফোনের ব্যাটারি বিস্ফোরণ প্রসঙ্গটি আলোচনায় এসেছে। ফলে ব্যাটারি সংক্রান্ত ভুল ধারণাগুলো আরো পাকাপোক্ত হয়েছে। যদিও  স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৭-এর ব্যাটারি বিস্ফোরণ নির্মাণজনিত ত্রুটি ছাড়া আর কিছুই নয়।

মোবাইল ফোনে যেন আগুন না ধরে যায় সেভাবেই যন্ত্রটির ব্যাটারি বানানো হয়। আর সঠিকভাবে নির্মিত লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি অন্তত আপনার পকেটে জ্বলে উঠবে না। কাজেই অযথা ভয় না পেয়ে চলুন জেনে নিই চার্জ দেওয়া নিয়ে ছয়টি ভুল ধারণার কথা। ধারণাগুলো প্রকাশ করা হয়েছে ম্যাশেবল নামের এক ওয়েবসাইটে।

ধারণা ১ : সারারাত মোবাইলে চার্জ দেওয়া খারাপ

কিছু পুরোনো মডেলের মোবাইল ফোন ছাড়া বেশির ভাগ স্মার্ট ফোন নিজে থেকেই বুঝে নেয় যে তার চার্জ পরিপূর্ণ হয়েছে। যখন চার্জ পূর্ণ হয় তখন নিজে থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে চার্জ নেওয়া বন্ধ করে দেয় ফোন। স্মার্টফোনের এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই আপনি নিরাপদ।

ধারণা ২ : সম্পূর্ণ চার্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুনভাবে চার্জ দেওয়া যাবে না

এটা সচরাচর না করাই ভালো। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি আপনার টিভির রিমোটের ব্যাটারির মতো নয় যে ব্যাটারির শক্তি শেষ হওয়ার আগেই নতুন ব্যাটারি ব্যবহার করা যাবে না। অথবা ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে না গেলে নতুনভাবে চার্জ দেব না- এরকম ধারণা রাখাই উচিত নয়। পুরোনো নিকেল-মেটাল হাইড্রাইড ব্যাটারির মতো মেমোরি এফেক্ট (পুরোনো ব্যাটারির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ চার্জ শেষ না হলে নতুনভাবে চার্জ না নেওয়াকে বলে মেমোরি এফেক্ট) আপনার নতুন স্মার্টফোন এবং মোবাইল ফোনের ব্যাটারির ক্ষেত্রে নেই। বরং এ রকম মনে করে সম্পূর্ণ চার্জ শেষ করে চার্জ দিলে আপনার মোবাইল ফোনের ক্ষতি হতে পারে। তাই যখন খুশি তখন, উপযুক্ত জায়গা পেলে, সেখানেই চার্জ দেবেন।

ধারণা ৩ : ফোন চার্জের সময় তা ব্যবহার করা যাবে না

চার্জের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও অনেকে পরামর্শ দেন এটি না করার জন্য। কারণ তারা মনে করেন এটি করলে তা মোবাইল ফোনের জন্য ক্ষতির কারণ হবে। যদিও অন্যসব ভুল ধারণার মতো এটিরও কোনো ভিত্তি নেই। এই ভুল ধারণাটি আরো শক্ত হয় ২০১৪ সালে, সেসময় চার্জ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী এক নারীর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘটে অস্ট্রেলিয়ায়। যদিও কর্তৃপক্ষ পরে দেখেছেন, কম দামি ইউএসবি চার্জার ব্যবহার করার জন্যই এ ঘটনা ঘটেছিল। তাই চার্জ দিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিরাপদ, তবে সস্তা চার্জার থেকে সাবধান। আর ভেজা হাতে চার্জ লাগানো মোবাইল না ধরাই ভালো।

ধারণা ৪ : সকল চার্জার একইভাবে নির্মিত

চার্জার আপনার মোবাইল ফোনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, এটার মধ্যে আর কতটুকু বৈচিত্র্য থাকতে পারে? চার্জার নিয়ে এ রকম ধারণা অনেকেরই আছে। কিন্তু আসলে একটি ভালো চার্জারের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। তাই নকল চার্জার ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ কেন শেরিফ বাজারে অ্যাপলের চার্জারের ছদ্মবেশে থাকা বেশকিছু নকল চার্জার নিয়ে গবেষণা করেছেন। এগুলোই মূলত আপনার মোবাইল ফোনকে নষ্ট করা এবং আগুন ধরিয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী। নামকরা ব্র্যান্ডের চার্জার না কিনলেও চার্জারের ভালো-মন্দ দেখে সেটা কেনা উচিত। ভালো চার্জার মানেই আপনার মোবাইল দ্রুত চার্জ হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুতের অতিরিক্ত তাপে তা গলে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।

ধারণা ৫ : সপ্তাহে সাতদিন ২৪ ঘণ্টা মোবাইল চালু রাখা যাবে না

সারাক্ষণ মোবাইল খোলা রাখলে আপনার ব্যাটারির জীবনের মেয়াদের ওপর প্রভাব পড়তে পারে কিন্তু মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে রাখা এর কোনো সমাধান নয়। এ জন্য সপ্তাহে একবার মোবাইল রিবুট অপশন থেকে পুনরায় বুট করে নেওয়া উচিত। এতে আপনার মোবাইলের কর্মক্ষমতা উন্নয়নেও তা সহায়ক হবে।

ধারণা ৬ : ‘লোকেশন সার্ভিস’ বা অবস্থান সংক্রান্ত সেবা আপনার ব্যাটারির ক্ষমতা নষ্ট করছে

মোবাইল ফোনে চালু অ্যাপগুলো যা অবস্থান সংক্রান্ত সেবা দিয়ে থাকে তা ব্যবহারের কারণে ব্যাটারির ধারণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাবে, এ রকম অভিযোগ অনেকের কাছেই শুনে থাকবেন। আইটি বিষয়ক সাইট অ্যান্ড্রয়েড অথরিটির মতে এই ধারণাটিও ভুল। এ রকম অনেক সেবামূলক অ্যাপ রয়েছে যা ব্যবহার করলে আপনার অ্যাপের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে, তার মানে এই নয় যে এটি আপনার মোবাইল ফোনের ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর। আপনি আপনার মোবাইল ফোনে লোকেশন সার্ভিস ব্যবহার করতে চাইলে তা নির্বিঘ্নে ব্যবহার করতে পারেন। এটি কখনই আপনার ব্যাটারির জীবননাশ করবে না।

আপনার এন্ড্রয়েড ফোনটি গুগল সার্টিফায়েড কি না, নিজেই দেখুন!



গুগল প্লেস্টোরের সেটিং অপশনে গিয়ে দেখে নিতে পারেন আপনার এন্ড্রয়েড ডিভাইসটি গুগল সার্টিফায়েড কি না। সেটিং-এর একেবারে নিচে ডিভাইস সার্টিফিকেশন (Device Certification) নামে একটি মেন্যু দেখতে পাবেন, যেখানে আপনার ডিভাইসের সার্টিফিকেশন স্ট্যাটাস দেওয়া থাকবে। যদি আপনার স্মার্টফোনটি গুগল দ্বারা সার্টিফায়েড হয় তবে এখানে Certified কথাটি লেখা দেখতে পাবেন, না হলে লেখা থাকবে Uncertified।

ডিভাইস সার্টিফিকেশন (Device Certification) কি?
এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি যেহেতু ওপেন সোর্স সফটওয়ার সেহেতু যে কোনো স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক এন্ড্রয়েড সোর্সকোড নিয়ে তার মতো করে এন্ড্রয়েড হ্যান্ডসেট তৈরি করতে পারে। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বেশ কয়েকটি এন্ড্রয়েড হ্যান্ডসেট প্রস্তুতকারক কোম্পানি গড়ে উঠেছে এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের এই সহজলভ্যতার কারণে। যেহেতু প্রত্যেকটি কোম্পানি তার মতো করে যন্ত্রাংশ এবং কনফিগারেশন নিয়ে হ্যান্ডসেট বানাচ্ছে, সেহেতু এন্ড্রয়েড ইকোসিস্টেমে একধরনের শৃঙ্খলার অভাব দেখা দেয়। এ কারণে এন্ড্রয়েড হ্যান্ডসেটগুলো নানা রকম অভিযোগের মুখে পড়ে যেমন- অনেক সময় অ্যাপ্লিকেশনগুলো ঠিকমতো চলে না, ধীরগতিতে সাড়া দেয়, হ্যাং হয়ে যাওয়া, ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া, ভাইরাসের আক্রমণ ইত্যাদি।

এ কারণেই গুগল এন্ড্রয়েড ইকোসিস্টেমে শৃঙ্খলা তৈরি করা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার জন্য ডিভাইস সার্টিফিকেশন ব্যবস্থাটি সামনে নিয়ে আসে। এর মাধ্যমে প্রতিটি হ্যান্ডসেটকে একটি কম্পেটিবিলিটি টেস্ট বা সামঞ্জ্যতা পরীক্ষায় পাস করতে হয়। এই পরীক্ষায় পাস করা মানে হচ্ছে হ্যান্ডসেটটি গুগল মোবাইল সার্ভিস (জিএমএস) Google Mobile Service (GMS)  ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। গুগল প্লেস্টোর সেবা এবং গুগলের অন্যান্য প্রধান এন্ড্রয়েড অ্যাপ যেমন জিমেইল, ম্যাপস, ফটোজ, ক্রোম, ইউটিউব, ড্রাইভকে একসঙ্গে গুগল মোবাইল সার্ভিস (জিএমএস) বলে থাকে।

mob



আপনার সেটটি সার্টিফায়েড না হলে?
তার মানে এই নয় যে আপনার সেটটি নকল। এর মানে হতে পারে গুগলের ডিভাইস সার্টিফিকেশন পরীক্ষার জন্য আপনার কোম্পানি চুক্তিবদ্ধ নয়। অথবা চুক্তিবদ্ধ কিন্তু এখনো পর্যন্ত কম্পেটিবিলিটি টেস্ট বা সামঞ্জস্যতা পরীক্ষায় পাসের সার্টিফিকেশন পাওয়া যায়নি। হতাশ হওয়ার কিছু নেই; বাজারে বিদ্যমান বেশ কিছু নামিদামি ব্র্যান্ডের কম মূল্যের সেট আনসার্টিফায়েড (Uncertified) অবস্থায় পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, গুগল সার্টিফায়েড ম্যানুফ্যাকচারার লিস্টে বাংলাদেশের ওয়ালটন এবং সিম্ফোনির নাম দেখা যাচ্ছে। তার মানে কোম্পানি দুটি গুগল পার্টনার কোম্পানি হিসেবে এন্ড্রয়েড অপারেটিং সফটওয়ার তাদের হ্যান্ডসেটে ব্যবহার করছে। নিচের লিংকে গিয়ে খুঁজে নিন আপনার হ্যান্ডসেট প্রস্তুতকারকের নাম :

https://www.android.com/gms/partners/

এখনই দেখে নিন আপনার সেটটি গুগল সার্টিফায়েড কি না!